নতুন ওয়েবসাইটে সার্চ কনসোল সেটআপ করার বাংলা গাইড

সার্চ কনসোল এ আপনি জানেন না কীভাবে কাজ করেন। হয়তো আপনি জানেন কিভাবে গুগল সার্চ কনসোল সেটআপ করতে হয়। কিন্তু ড্যাশবোর্ডের প্রতিটা অপশন আপনি কখনো ইউজ করেই দেখেন নাই। এই পুরো আর্টিকেলে গুগল সার্চ কনসোলটা পুরোপুরি কভার করা হবে। যারা SEO নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেন তারা আলরেডি জানেন যে গুগল সার্চ কনসোল কতটুকু দরকার। এখনকার সময়ে গুগল সার্চ কনসোলে অনেকগুলো জিনিস আছে যেগুলো চেঞ্জ হয়েছে। প্রতিটা জিনিস জানা এবং এক্সপ্লোর করা দরকার। যাতে করে ক্লায়েন্টের ডাটা এবং ওয়েবসাইট খুব ভালো করে বোঝা যায়।
নতুন ওয়েবসাইটে সার্চ কনসোল সেটআপ করার বাংলা গাইড
গুগল সার্চ কনসোল ছাড়া আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পারফেক্টলি র‍্যাঙ্ক করতে পারবেন না। গুগল সার্চ কনসোল ছাড়া আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পারফেক্টলি ইনডেক্সও করতে পারবেন না।

পেজ সূচিপত্রঃ নতুন ওয়েবসাইটে সার্চ কনসোল সেটআপ করার বাংলা গাইড

গুগল সার্চ কনসোল কী এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন সম্পূর্ণ গাইড

গুগল সার্চ কনসোল কেন দরকার বিস্তারিত

সার্চ কনসোল এ আপনি জানেন না কীভাবে কাজ করেন। হয়তো আপনি জানেন কিভাবে গুগল সার্চ কনসোল সেটআপ করতে হয়। কিন্তু ড্যাশবোর্ডের প্রতিটা অপশন আপনি কখনো ইউজ করেই দেখেন নাই। এই পুরো আর্টিকেলে গুগল সার্চ কনসোলটা পুরোপুরি কভার করা হবে। যারা SEO নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেন তারা আলরেডি জানেন যে গুগল সার্চ কনসোল কতটুকু দরকার। এখনকার সময়ে গুগল সার্চ কনসোলে অনেকগুলো জিনিস আছে যেগুলো চেঞ্জ হয়েছে। প্রতিটা জিনিস জানা এবং এক্সপ্লোর করা দরকার। যাতে করে ক্লায়েন্টের ডাটা এবং ওয়েবসাইট খুব ভালো করে বোঝা যায়।

গুগল সার্চ কনসোল ছাড়া আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পারফেক্টলি র‍্যাঙ্ক করতে পারবেন না। গুগল সার্চ কনসোল ছাড়া আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পারফেক্টলি ইনডেক্সও করতে পারবেন না।

গুগল সার্চ কনসোল কী এবং এটি কী কাজ করে 

সিম্পল ভাষায় বলতে গেলে গুগল সার্চ কনসোল হল গুগলের একটা ফ্রি টুলস। এটা আপনার ওয়েবসাইটের সাথে ডাইরেক্ট কানেক্ট থাকবে। মেক্সিমাম ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ডাটা আপনাকে গুগল সার্চ কনসোলই দেবে। গুগল বলছে গুগল সার্চ কনসোল মেক্সিমাম ক্ষেত্রে এই চারটা কাজের জন্য ইউজ করা হয়।

  1. ইন্ডেক্সিং চেক করা। কোন পেজ ইনডেক্স আছে কোনটা না।
  2. কুয়ারি এবং ক্লিক দেখা।
  3. ক্রল ও পেজ এক্সপেরিয়েন্স ইস্যু খুঁজে বের করা।
  4. লিঙ্ক রিভিউ করা।

গুগল সার্চ কনসোল কিভাবে সেটআপ করবেন সহজ উপায়

সেটআপ করার জন্য একটা রিয়েল ক্লায়েন্টের ডাটা ইউজ করা হয়েছে। ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পারমিশন নিয়েই এই ভিডিও করা হয়েছে। গুগল সার্চ কনসোলের জন্য আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটের অ্যাক্সেস নিতে হবে। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট হয়। WordPress ওয়েবসাইট আছে। Wix আছে। Shopify আছে। Squarespace আছে। অনেক ধরনের CMS আছে। কিন্তু গুগল সার্চ কনসোলের রুলস সেম থাকে। সেটআপ সেম থাকে। শুধুমাত্র আপনাকে অপশনটা খুঁজে বের করতে হবে।

যদি অ্যাক্সেস না থাকে তাহলে আপনি wp admin এ যাবেন। ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড নেওয়ার পরে লগইন করবেন। যদি ক্লায়েন্টের কাছে আলরেডি গুগল সার্চ কনসোল সেটআপ করা থাকে তাহলে আপনি আর নতুন করে সেটআপ করতে যাবেন না। আপনি ক্লায়েন্টকে বলবেন যে সেন্ড মি দ্যা অ্যাক্সেস। আপনি যখন তাকে আপনার ইমেইলটা দিবেন তখন সে ওই ইমেইলে ইনভাইট করে নিবে। ইনভাইটেশন পাঠানোর পরে আপনার অটোমেটিক্যালি গুগল সার্চ কনসোল অ্যাক্সেস হয়ে যাবে। আপনাকে আলাদা করে কিছু করতে হবে না।

ওনারশিপ ভেরিফিকেশন করতে হলে একটা কোড জেনারেট করতে হয়। এই কোডটা HTML কোড থাকে। এই HTML কোডটা যে ইমেইল থেকে জেনারেট করা হয় সেটা ওয়েবসাইটে পেস্ট করলে তিনি ভেরিফায়েড ওনার হয়ে যান। তিনি চাইলে যে কাউকে অ্যাড করতে পারবেন।

নতুন প্রোপার্টি কিভাবে অ্যাড করার নিয়ম

গুগল সার্চ কনসোল সেটআপ করার জন্য প্রথমে গুগলে সার্চ করে গুগল সার্চ কনসোলের সাইটে যেতে হবে। তারপর অ্যাড প্রোপার্টিতে ক্লিক করতে হবে। ডোমেইন দিয়ে ভেরিফাই করা যায়। URL prefix দিয়েও ভেরিফাই করা যায়। যারা নতুন তারা URL দিয়েই করবেন। এটা খুব ইজি।

ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটের ডট কম পর্যন্ত URL কপি করে পেস্ট করতে হবে। HTTPS example.com পর্যন্ত ইউজ করতে হবে। কন্টিনিউতে ক্লিক করলে ভেরিফাই প্রোপার্টি অপশন আসবে। অনেক ধরনের ভেরিফিকেশন অপশন থাকে। যেটাতে কমফোর্ট ফিল হয় সেটা দিয়ে করা যায়। একেকভাবে ভেরিফাই করলে একেক ডাটা দেখায় না। ডাটা সেমই দেখায়।

গুগল অ্যানালিটিক্স দিয়ে ভেরিফাই করা যায়। গুগল ট্যাগ ম্যানেজার দিয়েও করা যায়। ডোমেইন নেম প্রোভাইডার দিয়ে DNS দিয়েও করা যায়। সিম্পলভাবে HTML ট্যাগ দিয়েও করা যায়।

মেটাডেটা কপি করে সাইটের হোমপেজে পেস্ট করতে হয়। এটা হেড সেকশনে বসাতে হয়। বডি সেকশনের আগে বসাতে হয়। এরপর ভেরিফাইতে ক্লিক করলে ভেরিফাই হয়ে যায়।

WordPress এ ভেরিফিকেশন করার নিয়ম

WordPress এ Appearance থেকে Theme File Editor এ যাওয়া যায়। থিম হেডারে গিয়ে ওই কোডটা পেস্ট করতে হয়। এখান থেকে যদি কোনো একটা জিনিস তুলে দেওয়া হয়, এমনকি একটা ডট তুলে দিলেও, সাইটের ডিজাইন ব্রেক হতে পারে। তাই কনফিডেন্ট থাকলে এভাবে করা যায়। এরপর আপডেট ফাইলে ক্লিক করতে হয়।

যদি এটা কমপ্লিকেটেড মনে হয় তাহলে সেফ জোনে থাকা ভালো। Plugin এ গিয়ে Add New Plugin এ গিয়ে হেড লিখে সার্চ করলে হেডার ফুটার নিয়ে অনেক প্লাগইন আসবে। WP Code প্লাগইন ইউজ করা যায়। WP Code ইউজ করলে হেড সেকশনটা পাওয়া যাবে। এখানে কোডটা কপি পেস্ট করে দিলে এবং ভেরিফাইতে ক্লিক করলে ওনারশিপ ভেরিফায়েড হয়ে যাবে। এরপর গো টু প্রোপার্টি ক্লিক করলে প্রোপার্টিতে যাওয়া যাবে এবং সব ডাটা শো করবে।

অন্যান্য CMS এ ভেরিফিকেশন করার উপায়

Wix Shopify Squarespace Weebly Magento Zoopla সহ অনেক CMS আছে। শুধুমাত্র হেড সেকশনটা খুঁজে বের করতে হবে। হেড সেকশনের জন্য প্রতিটা CMS ডেডিকেটেড অপশন দিয়ে দেয়। ChatGPT অথবা Gemini তে জিজ্ঞেস করে এই প্রসেস ফলো করে ভেরিফাই করা যায়। ডোমেইন ভেরিফাই হয়ে গেলে সেখান থেকে কাজ শুরু হয়।

GSC ড্যাশবোর্ড কিভাবে ব্যবহার করবেন

Overview অংশে কী দেখতে পাবেন

ওভারভিউ সেকশনে পারফরম্যান্স দেখা যায়। এই মাসে কতগুলা ক্লিক এসেছে সেটা দেখা যায়। ইনডেক্সিং দেখা যায়। কতগুলা পেজ ইনডেক্স আছে কতগুলা নেই সেটা দেখা যায়। এক্সপেরিয়েন্স দেখা যায়। পেজ এক্সপেরিয়েন্সের মধ্যে কোর ওয়েব ভাইটালস এবং HTTPS দেখা যায়। এনহ্যান্সমেন্টে ব্রেডক্রাম্বস দেখা যায়। এক্সপ্লোর ইওর ইনসাইটস নামে একটা নতুন অপশনও এসেছে।

Insights থেকে কী বোঝা যায়

ইনসাইটসে গিয়ে গত ২৮ দিনে ওয়েবসাইটে কতগুলা ক্লিক বেড়েছে সেটা দেখা যায়। ইমপ্রেশন কোথা থেকে আসছে সেটা দেখা যায়। টপ কন্টেন্ট এবং টপ ৫ কন্টেন্ট দেখা যায়। কনটেন্টের ক্লিক আপ হয়েছে নাকি ডাউন হয়েছে সেটাও দেখা যায়। ট্রেন্ডিং আপে থাকা কনটেন্ট ভালো পারফর্ম করছে বোঝা যায়। ট্রেন্ডিং ডাউনে থাকা কনটেন্টও দেখা যায়। কুয়ারি বা কীওয়ার্ড অনুযায়ী কোনগুলা ট্রেন্ডিং আপ এবং কোনগুলা ট্রেন্ডিং ডাউনে আছে দেখা যায়। টপ কান্ট্রিজ দেখা যায়। কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ক্লিক আসছে সেটা দেখা যায়।

কোনো পেজ ট্রেন্ডিং ডাউন হলে রিজন খুঁজে বের করতে হবে। কনটেন্ট চেক করতে হবে। পেছনের লিঙ্ক চেক করতে হবে। টেকনিক্যাল স্টাফ চেক করতে হবে। ইস্যু খুঁজে বের করে সলভ করার পরে এক সপ্তাহ পরে এসে দেখলে এটা আবার আপ হয়ে যাবে।

URL Inspection কিভাবে করবেন

নতুন পেজ তৈরি করার পরে যদি সেটা অটোমেটিক্যালি ইনডেক্স না হয় তাহলে URL ইনস্পেকশনে গিয়ে সেই URL কে ইনস্পেক্ট করতে হবে। URL কপি করে Inspect এ ক্লিক করে এন্টার প্রেস করলে গুগল ইনডেক্স ডাটা থেকে রিট্রিভ করবে। URL গুগলে থাকলে এটা সার্চ রেজাল্টে আসবে। যদি URL ইনডেক্স না থাকে তাহলে ইনডেক্সিং এর জন্য রিকোয়েস্ট সেন্ড করতে হবে যাতে গুগল ওয়েবসাইটটা এক্সট্রা ইনডেক্স করতে পারে।

Discover অংশে কী থাকে

ডিসকভার অপশনে পারফরম্যান্স ডিসকভার দেখা যায়।

Pages ইনডেক্সিং কিভাবে চেক করবেন

পেজ সেকশনে অনেক কনফিউশন থাকে। ইনডেক্স এবং নট ইনডেক্স পেজের সংখ্যা এখানে দেখা যায়। ক্লায়েন্টের পেজ সংখ্যা যাচাই করতে চাইলে Sitemap এ গিয়ে দেখা যায় কতগুলা পেজ আছে। Post এ যত পোস্ট আছে এবং Pages এ যত পেজ আছে সব মিলিয়ে মোট সংখ্যা বের করা যায়।

এই মোট পেজের মধ্যে কতগুলা ইনডেক্স হয়েছে এবং কতগুলা হয়নি সেটা পেজ ইনডেক্স থেকে দেখা যায়। বাকি আননেসেসারি পেজ কাউন্ট করার জন্য All Known Pages অপশন আছে। গুগল যতগুলা নোন পেজ পেয়েছে ততগুলা এখানে দেখায়। All Submitted Pages এ সাবমিট করা সাইটম্যাপ থেকে ডাটা আসে। এগুলাই অ্যাকচুয়াল ডাটাবেস।

পেজ এবং পোস্ট আলাদা আলাদাভাবে দেখা যায় কতগুলা ইনডেক্স হচ্ছে না। নট ইনডেক্সের মধ্যে ডিসকভারড কারেন্টলি নট ইনডেক্স এবং ক্রল কারেন্টলি নট ইনডেক্স ক্যাটাগরি থাকে।

ইনডেক্স পেজে গেলে কোন পেজ কবে ক্রল হয়েছে এবং পুরো ইনডেক্স পেজের লিস্ট দেখা যায়। নট ইনডেক্সে গেলে বিভিন্ন ইস্যু দেখা যায়। যেমন wp admin ajaxphp এর মতো অ্যাক্সেস ইস্যু থাকতে পারে যেটা ব্লকই থাকে। পেজ উইথ রিডাইরেক্ট নামে আরেকটা ক্যাটাগরি থাকে।

Sitemap কিভাবে সাবমিট করবেন

সাইটম্যাপে ওয়েবসাইটের সব পেজ পোস্ট ক্যাটাগরি সাবক্যাটাগরি রাখা হয় যাতে গুগল ঠিকঠাকভাবে আইডেন্টিফাই করতে পারে। সাইটম্যাপ গুগল সার্চ কনসোলে সাবমিট করলে গুগল বুঝতে পারে কতগুলা পেজ আছে এবং সেটা ডিসকভার করে।

ইনডেক্সিং এর প্রসেস হলো প্রথমে ডিসকভার করা অর্থাৎ খুঁজে বের করা। তারপর ক্রল করা। ক্রল করার পরে ইনফরমেশন ঠিক থাকলে ইনডেক্স করা।

পেজ এবং পোস্ট আলাদা আলাদাভাবে সাবমিট করা যায়। একসাথেও সাবমিট করা যায়। Removal অপশনে গিয়ে কোনো পেজ বা পোস্ট গুগল সার্চ কনসোলের ইনডেক্সেশন ডাটা থেকে রিমুভ করার জন্য নতুন রিকোয়েস্ট সেন্ড করা যায়।

Experience সেকশনে কী কী দেখবেন

Core Web Vitals কিভাবে চেক করবেন

Try Page Experience সাইটে ক্লিক করলে মোবাইল এবং ডেস্কটপে কী ইস্যু আছে সেটা অটোমেটিক্যালি দেখা যায়।

HTTPS কী এবং কেন দরকার

HTTP মানে হলো ওয়েব সার্ভার বা ওয়েবসাইট হোস্টিং থেকে লোড হওয়ার সময় ডাটা পাবলিকলি থাকে। ইউজারনেম পাসওয়ার্ড এভরি ডিটেইলস যে কেউ হ্যাক করতে পারে অথবা এক্সেস করতে পারে। HTTPS এ S লাগালে এটা সিকিউর হয়ে যায়। তখন কেউ চাইলে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড সেনসিটিভ ডাটা এক্সেস করতে পারে না। গুগল চায় না পাবলিকের ডাটা হ্যাক হোক তাই HTTPS দরকার।

কোর ওয়েব ভাইটালসে ডেস্কটপ এবং মোবাইলে পারফরম্যান্স অ্যাক্সেসিবিলিটি বেস্ট প্র্যাকটিস এবং SEO দেখা যায়। FCP অর্থাৎ ফার্স্ট কন্টেন্টফুল পেইন্ট, লার্জেস্ট কন্টেন্টফুল পেইন্ট এবং ব্লকিং টাইম এসব মেট্রিক্স দেখা যায়।

Breadcrumbs ও Manual Action কী কাজ করে

ব্রেডক্রাম্বস এবং সিকিউরড অ্যান্ড ম্যানুয়াল অ্যাকশনে ওয়েবসাইটে কোনো সিকিউরিটি ইস্যু ডিটেক্ট করা আছে কিনা দেখা যায়। ইস্যু ডিটেক্ট হলে হোস্টিং এর সাথে কন্টাক্ট করতে হবে অথবা ভালো একজন ডেভেলপারকে দিয়ে ফিক্স করাতে হবে।

Links এবং Backlinks কিভাবে দেখবেন ও Disavow করবেন

লিঙ্কস সেকশনে টপ লিংকিং পেজ এবং টপ লিংকিং সাইট দেখা যায়। কোন ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক পাওয়া গেছে সেটা এখানে দেখা যায়। কোনো লো কোয়ালিটি সাইট থেকে যেমন পর্ন সাইট থেকে বাজে ব্যাকলিংক পিকআপ হলে ডিসঅ্যাভাউ টুলস ইউজ করতে হয়। গুগলে ডিসঅ্যাভাউ টুলস লিখে সার্চ করলে টুলটা পাওয়া যায়। সিলেক্ট প্রোপার্টি থেকে প্রোপার্টি ধরে লিঙ্ক ডিসঅ্যাভাউ করা যায়। এটা বাজে ব্যাকলিংক রিমুভ করা এবং কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য ভালো অপশন।

Achievements ও Settings এ কী থাকে

অ্যাচিভমেন্ট সেকশনে আলাদা কোনো অ্যাচিভমেন্ট থাকলে কতগুলা ক্লিক এসেছে সেটা শো করে। ক্লায়েন্টকে এই ডাটা দেখালে তারা খুশি হন।

সেটিংসে ক্রল স্ট্যাটাস দেখা যায়। এটা নিয়ে আলাদা ডেডিকেটেড আলোচনা প্রয়োজন।

কিভাবে নিজে প্র্যাকটিস করবেন

যাদের ওয়েবসাইট বা ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট আছে তারা এখনই গুগল সার্চ কনসোল অ্যাড করে ভেরিফাই করতে পারেন। ভেরিফাই না হলে ভেরিফিকেশনের অংশটুকু আবার দেখা যেতে পারে। ভেরিফাই হয়ে গেলে প্রতিটা অপশন খুঁজে বের করে দেখলে এবং শিখলে বোঝা যাবে কোন জিনিস কীভাবে কাজ করে।.

এরপর ইনডেক্সিংয়ে গিয়ে ওয়েবসাইটের সাইটম্যাপ সাবমিট করা যায়। সাইটম্যাপ ভ্যালিড হলে ইনডেক্সিং প্রসেস শুরু হয়ে যাবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আনিক ট্রেন্ড নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url